1. admin@ekdeshi.com : Ekdeshi :
  2. editor@ekdeshi.com : Ek Deshi : Ek Deshi
প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন তরুণীর, হাত কেঁটে লিখলেন নাম

প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন তরুণীর, হাত কেঁটে লিখলেন নাম

  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১

প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন তরুণীর, হাত কেঁটে লিখলেন নাম

রাজশাহীর বাঘার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রেমিক আব্দুল্লাহর বাসায় টানা ২৫ ঘণ্টা ধরে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন এক তরুণী। শুধু তাই নয়, ব্লেড দিয়ে হাত কেটে লিখেছেন প্রেমিকের নাম।

এ বিষয়ে তরুণীর বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। থানায় প্রথমে মামলা না নিলেও পরবর্তীতে একটি অভিযোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকেও ওই বাড়িতে অনশন করতে দেখা গেছে ওই তরুণীকে। প্রেমিক আব্দুল্লাহ গৌরাঙ্গপুর গ্রামের সাজদার রহমানের ছেলে।

কলেজপড়ুয়া ওই তরুণী জানান, ছয় মাস আগে আবদুল্লার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর তাদের মধ্যে অনেকবার সাক্ষাৎ হয়। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) আব্দুল্লাহ তাকে না জানিয়েই বিয়ের জন্য অন্য মেয়ে দেখেন। শুক্রবার (১২ মার্চ) ওই মেয়েকে বিয়ে করার জন্য দিনক্ষণও ঠিক করেছেন। তারপর থেকেই আবদুল্লার বাড়িতে অনশন করছেন তিনি।

এসময় ওই তরুণী হাত ব্লেড দিয়ে কেটে লেখা আবদুল্লার নাম দেখান। এমনকি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আমাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত এই বাড়ি থেকে যাব না, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করব।’

এ ঘটনায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ সরকার জানান, ঘটনাটি জানার পর ওই ওয়ার্ডের মেম্বারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ওই এলাকার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) লোকমান হোসেন বলেন, ‘চেয়ারম্যান আমাকে অবগত করেছেন। আমি আবদুল্লার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। এদিকে শুনেছি, মেয়েটার অনশন শুরু দেখে আব্দুল্লাহও বাড়ির সব দরজা-জানালা এমনকি বাড়ির বাইরের বাথরুমও বন্ধ করে দিয়ে লাপাত্তা। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ।’

এ বিষয়ে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি একটি বিব্রতকর ঘটনা। মেয়ের বাবার পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। কিন্তু ছেলে লাপাত্তা থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না।’

শেয়ার করুন:

আরোও খবর...
© All rights reserved ©Ekdeshi.com