1. admin@ekdeshi.com : Ekdeshi :
  2. editor@ekdeshi.com : Ek Deshi : Ek Deshi
যৌতুক না পেয়ে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

যৌতুক না পেয়ে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১

যৌতুক না পেয়ে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

যৌতুকের টাকা না পেয়ে বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। বুধবার (১০ মার্চ) এ পৈশাচিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই গৃবধূকে উদ্ধার করে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। আগুনে তার শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। ঝলসানো শরীর নিয়ে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ছটফট করছেন ওই গৃহবধূ।

আগুনে দগ্ধ ওই গৃহবধূর নাম অঞ্জলি খাতুন (১৯)। তিনি উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের মেয়ে।

অভিযুক্ত স্বামীর নাম মোহাম্মদ বুলবুল মিয়া (২৫)। তিনি শাজাহানপুর উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অঞ্জলি খাতুনের সঙ্গে একবছর আগে বাবুল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দিকে তাদের দাম্পত্যজীবন ভালোই চলছিল। সম্প্রতি যৌতুকের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে টাকা ও জিনিসপত্র দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তা দ্রুত পরিশোধের জন্য চাপ দেন স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন। যৌতুক না পেয়ে অঞ্জলি খাতুনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকেন বুলবুল। একপর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মাসখানেক আগে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন।

গত বুধবার দুপুরের দিকে বুলবুল মিয়া শেরপুর উপজেলার হাপুনিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে গেলে আগের বিষয়গুলো নিয়ে স্বামীর-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় ওই বাড়িতে পরিবারের অন্যরা ছিলেন না। এই সুযোগে বুলবুল মিয়া একটি শয়নকক্ষে স্ত্রী অঞ্জলির শরীরে কেরোসিন ঢেলে দেন। পরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে দরজা-জানালা আটকে দেন।

তবে অভিযুক্ত স্বামী বুলবুল মিয়া ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, নিজের শরীরে নিজেই আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন অঞ্জলি খাতুন। তার কাছে কোনো যৌতুক চাওয়া হয়নি। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না।

শেয়ার করুন:

আরোও খবর...
© All rights reserved ©Ekdeshi.com